সাফের মঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শেষে রাজসিক সংবর্ধনায় বীরদর্পে দেশে ফেরা সাবিনা নিজ জেলায়ও অভিনন্দনে সিক্ত। এবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে দেয়া হলো ক্রেস্টসহ অর্থপুরস্কার। হাজারো প্রতিবন্ধকতা জয় করে অনন্য অর্জনের পুরস্কারই পাচ্ছেন বাংলার কাপ্তান।
সফলতার স্বর্ণশিখরে আরোহণ করেও সাবিনা ভুলছেন না শেকড়ের অস্তিত্ব। যেই সবুজবাগ থেকে তিনি আজ লাল-সবুজের পতাকাবাহী, সেখানে খেলোয়াড় তৈরিতে এখনো নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। তাই এখানে স্থায়ী মাঠের পাশাপাশি প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল লিগ আয়োজনের দাবি ইতিহাস সৃষ্টিকারী অধিনায়কের।
সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলেন, ‘আমরা পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমাদের ইচ্ছা আছে ভালো কিছু করার। আমরা যদি আশপাশে থাকা মানুষের সহযোগিতা না পাই, তবে আমাদের জন্য কষ্ট হয়ে যাবে। আমি ডিসি স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আমাদের একটা মাঠ চাই। একটা নির্দিষ্ট মাঠ থাকলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে। আমাদের প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশনের জন্য যখন খেলা হয়, তখন এই মাঠকে কাজে লাগানো যাবে।’
বাবাহারা পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সাবিনা খাতুন। ফুটবলে তার এই দীর্ঘ পথচলায় অনুপ্রেরণার সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন বড় বোনকে। আর তাই পরিবারের সচ্ছলতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চেয়েছেন সমর্থন।
সাবিনা খাতুন বলেন, ‘সাতক্ষীরাবাসী আমাদের যেভাবে ভালোবাসছেন, তা দেখে আমি বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় অর্জন। আমার পরিবার আমার ওপর নির্ভরশীল। তাই আমি বলছি, আমার বোনের জন্য যদি একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেন, তাহলে খুব সুবিধা হয়।’
স্থায়ী মাঠ ও যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে সাতক্ষীরা থেকে উঠে আসবে অনেক ফুটবলার, এমনটাই প্রত্যাশা হিমালয়জয়ী এই ফুটবলারের।





