রাজধানীতে পৃথক স্থানে বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন দুইজন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামকে) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন- পোশাক ব্যবসায়ী সাহেব আলী (৫০) ও রডের দোকানের ম্যানেজার আবুল কাশেম (৪২)।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার টার দিকে রাজধানীর আজিমপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সাহেব আলী ও দুপুর দুইটার দিকে গুলিস্তান এলাকায় খপ্পরে পড়েন আবুল কাশেম। অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
জানা গেছে, আজিমপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে পোশাক ব্যবসায়ী সাহেব আলী। অচেতন অবস্থায় সাহেব আলীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা দোকান কর্মচারী গিয়াস উদ্দিন জানান, তাদের চকবাজারে গার্মেন্টসের পাইকারি ব্যবসা রয়েছে। সকালে মালামাল নিয়ে উত্তরা একটি দোকানে যান সাহেব আলী। ওইখান থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে ভিআইপি পরিবহনের একটি বাসে আজিমপুরে আসার পথে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা সুকৌশলী কিছু খাইয়ে তাকে অচেতন করে এক লাখ বিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে তারা খবর পেয়ে সাহেব আলীকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে তার স্টমাকওয়াশ করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
অন্যদিকে, রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন রডের দোকানের ম্যানেজার মো. আবুল কাশেম। অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে স্টমাকওয়াশ করে নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা দোকান মালিক আলম জানান, কাশেম তার দোকানের ম্যানেজার। একটি জরুরি কাজে মেঘনা তার ফ্যাক্টরিতে পাঠান। সেখান থেকে ফেরার পথে দোয়েল পরিবহনের একটি বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন। পরে খবর পেয়ে তিনি গুলিস্তান দোয়েল কাউন্টার থেকে কাশেমকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার স্টমাকওয়াশ করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, গুলিস্তান থেকে এক ব্যক্তি অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে স্টমাকওয়াশ দিয়ে নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, আজিমপুর এলাকা থেকে এক পোশাক ব্যবসায়ী অগ্রগতির খবর এসেছে। আমরা জানতে পেরেছি তার কাছে থাকা এক লাখ বিশ হাজার টাকা অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নিয়ে গেছে। তিনিও হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।





